আয়রে খোকা চলে আয় বুকের ভিতর বাসা, আদর দিব সোহাগ দিব দিব ভালোবাসা। ছোটু থেকে বড় হবে এইতো মনে আশা। বড় হয়ে যাইসনি খোকা। আমায় রেখে দূরে। আমি যখন
প্রতিটি রাতের স্বপ্নগুলো চিনতে শেখায় ভয়- প্রিয় জন চলে যাওয়াতে হতাশা গ্রস্ত নয়। অভিযোগ আর অভিমান মিলে মিশে থাকে, আপনজন নেই কাছে কি হয়েছে তাতে! একটা দীর্ঘশ্বাস বিজয় সেজে আসে,
নীল সাগরের বুকে উঁচুনিচু ঢেউ, সে যে কত মনকাড়া দেখলোনা কেউ। সবুজ মাঠের ঐ সোনার ফসল, আঁকাবাঁকা নদী বয়ে চলে কলকল। রাতের আকাশে কোটি তারার মেলা, জোছনার সাথে জোনাকিদের
পাহাড়ি এক রমণী সে শাহবাজপুর বাড়ি, যেতে লাগে জীপ, মাইক্রো, কিংবা মোটরগাড়ি। ছায়মা বেগম নাম কন্যার লজ্জাবতী লতা, হামিদ নানা বলেন সেদিন তার বিবাহের কথা। বর এক হাফেজ-মাওলানা সে
অন্যেরা বলে কবি, দর্পনে দেখি ছবি, সত্যিই কি আছে আমার এইটুকু গুণ, পনেরো বছর থেকে গল্প-কবিতা লেখে, খোঁটা শুনি যদি খসে পান থেকে চুন। শত লোকে বললে তা ভালো,
অবশেষে রব তার সুতো ধরে দিলো টান, হাসিনার গদিখানা ভেঙে হলো খান খান। রক্তশোষণ করে খেয়েছে যে ডাইনী , আমরা কখনো এর সুবিচারও পাইনি। আজ সেই মহাপাপী জালিম ‘শেখ