ক্লান্ত দেহে ক্লান্ত মনে তোমার ছোঁয়া চাইছে প্রাণে। আপন ঘরে আপন সাজে খুঁজি তোমায় সর্বক্ষণে। স্বস্তি পেতে স্বর্গ খুঁজে পথ ভুলানো পথিক আমি। নিত্য দেহে ক্লান্তি আসে শান্তি হলো
শীতরানী যে এলো আমার সোনার পল্লী গাঁয়ে, ধান পেকেছে মাঠে মাঠে নবান্ন এলো নায়ে। গাঁয়ের কৃষক ভোর বেলা কাস্তে নিয়ে গেল আউশ আমন ধান পেকেছে নবান্ন যে এলো। নতুন
হেমন্তেরই আগমনে এই আমাদের দেশে, ফসলেরই হাসি দেখে কিষাণ উঠে হেসে । প্রাণের সুখে গাঁয়ের চাষী গানের সুরে ভাসে, হেমন্তেরই হাত ধরে যে শীতের বুড়ি আসে। পূব আকাশে যায়
মোদের ছেলে এক নাম যে ইমতিয়াজ ওমরা করতে গিয়েছে আছে এখন মক্কায় , ওমরা করার তরেতেই কাবাঘর তাওয়াফ শেষ করি সে আছে ইহরাম বাঁধা অবস্থায়। এই অবস্থায় দেখতে তাকে
শ্যামলাল ফোকলা দাদুর কর্মক্ষম ছেলে, নিজ ছেলেকে মানুষ করতে যায় বাবাকে ফেলে। শহর গিয়ে সফল হলো ছেলে হলো ডাক্তার, পথের কাঙাল ফোকলা দাদু খবর নেয়নি আর। দিন যায় ক্ষণ
যেমন তোমার খুশি,তেমন করেই লেখো কলম খাতায় আঁকো, বছর ধরেই শেখো । মাথার ভেতর পোকা ,নদীর ঢেউয়ে বোকা নায়ের পালের গোদা, কঠিন পাথরে ধোঁকা । সমাজ সমাজ করো ,আসল