রক্ত চোষা মশা গুলো রক্ত চুষে যেমন, সমাজ মাঝে ভন্ড লোভী শাসন করে তেমন। নাচতে গিয়ে পিছলে পরে সমাজ নামে নীচে, পিঁপড়ে গুলো গুড়ের লোভে ছুটছে সমাজ পিছে। চেটেপুটে
মাগো, তোমার আঁচল যেন এক শান্ত ছায়া, দুঃখের দিনে পাই যেখানে এক অপার মায়া। ছোট্টবেলায় ঘুমিয়েছি মা তোমারই কোলে, সব বিপদ আগলে মাগো রেখেছো আঁচলে। তুমি আমার হাসি মাগো
ঘটক আমি মন্টু মিয়া নামটি চমৎকার ঘটকালি আমি করছি সদাই ফেল না মেরে বারবার। সেদিন এক সকাল বেলায় ছেলের বাপের কাছে বললাম গিয়ে ঠান্ডু মিয়াভাই মেয়ে যে একখান আছে।
সুখ পাখি, যাও তোমার আপন ঠিকানায়, বসন্তরানি বসে আছে মধুর অপেক্ষায়। জানি, ফিরবে না তুমি আর কোনোদিন, খাঁচায় ছিলে এতদিন , রঙে রঙ্গিন। স্বমহিমায় উদ্ভাসিত হও নিজ অঙ্গনে, সময়
সৃষ্টি কর্তা সৃষ্টি করে পাঠিয়েছেন মানুষ ধরায় ঘসে মেজে করছে তাকে মানুষ শিক্ষক মহাসয়। মানব শিশু জন্ম নিয়ে হয় যে মানব জাতি শিক্ষক তাকে আলোকিত করে জ্বালিয়ে মনুষ্য বাতি।
একজন শিক্ষক একটি স্কুলে হতে অন্য স্কুলে যাচ্ছে যখন চলি , স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী সব তাঁকে ঘিরে কাঁদছে তখন “ও স্যার যাইও না”- বলি বলি। এই শিক্ষক তাদের কাছে খুব