বেদনার তিমির অরণ্যে নিয়েছি ঠাঁই, পুষ্প হয়ে ফুটবে সব অশ্রু–তোমায় যদি পাই। জীবনের যত ক্লান্ত পথ এসে মিশেছে এই নির্জন প্রহরে, দুনিয়ার মায়ার আলো নিভে গেলে তোমারই নূরের কথা
আমি মায়ের কোলে বড় হয়ে, দিয়েছি হাতে খড়ি। এই মায়ের আদর-সোহাগে, আমার জীবনটাকে গড়ি। এই মায়াবী আঁচল তলে, আমি হয়েছি খুব বড়। মা বলে, সুন্দর করে তোমার জীবনটাকে গড়ো।
আমি এখন হসপিটালে আরো সুস্থ হওয়ার পথে , তা হয়েছে সকলের দোয়ায় আল্লাহর বড় রহমতে। ভেবেছিলাম শেষ ঠিকানায় হয়তো এবার চলে যাবো , চলে গিয়ে পর জগতে মা -বাবার
কচি খোকা বড্ড বোকা গাছের ডালে সন্ধ্যা কালে বসে আছে কেনো? সূর্যি খুঁজে চক্ষু বুঁজে চন্দ্র লোকে শান্তি বুকে গাছেই ঘরটা যেনো। চুলটা সাদা মনে কাঁদা বয়স কুড়ি নয়তো
চব্বিশ জুলাই শুক্রবারে হয়েছে এই সন্ধি, কাসেম ও আমিনা দুজন হলো যুগলবন্দী। নতুন স্বপ্ন, নতুন আশা, নতুন সুখের নীড়ে, দুজন ধরেছে হাত দুটি লক্ষজনের ভীড়ে। বিধাতারই লিখন ছিলো দুজন
নিজস্ব প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জ জেলা সাহিত্য ফাউন্ডেশনের চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং বিশিষ্ট কবি-গবেষক ডাঃ বশির আহমেদ তুষারকে নিবেদিত গ্রন্থ “আজিমনগর”-এর প্রকাশনা অনুষ্ঠান ২৪ জুলাই, শুক্রবার, বিকাল- ৩:৩০ মিনিটের সময়, নারায়ণগঞ্জ জেলা সাহিত্য