আমার মায়ের মুখটা খুঁজি হাজার মায়ের ভীড়ে- কত দিবস গেলো চলে আসলো না মা ফিরে। প্রভুর ডাকে হঠাৎ করে গেলেন পরপারে- মায়ের কথা দিবানিশি ভাবি বারেবারে। মায়ের কথা মনে
আমার মা’ই আমার কাছে অতি প্রিয় শ্রেষ্ঠ ধন , আর কিছু নেই এ জগতে মায়ের মত সেরা এমন। সুখে -দুঃখে-ই মা’ই শুধু পাশে থাকে সারাক্ষণ , আদর-সোহাগ-প্রীতি দিয়ে আমায়
দশটি মাসের অন্ধকারে ছিলে তুমি ছায়া, তোমার রক্তে গড়া মাগো আমার সকল মায়া। নিজে কেঁদে মুখে হেসে রেখেছো যে বাঁচিয়ে, তোমার দোয়া জীবন জুড়ে রাখে আমায় জড়িয়ে। ক্ষুধার কাঁটা
ঘামের নদী বয়ে চলে শ্রমিকের বুকে, তাদের শ্রমের বদৌলতে আমরা থাকি সুখে। রোদ -বৃষ্টি, ঝড়-তুফান তাদের নিত্য সাথী, তবু তারা মুখে হাসি রেখেছে গাথি। শ্রমিক বলে অবহেলা করে যেই
মে মাস এলেই জাগে শ্রমের নব গান, আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস ডাকে—রক্ষা করো শ্রমিকের সম্মান। ঘামে ভেজা কপাল বলে দিনের কষ্টের কথা, তাদের ত্যাগে গড়া এই পৃথিবীর প্রতিটা ব্যথা। দূর
মাটির মানুষ শ্রমিক ভাইয়া, খাটছে দিনে-রাত; ন্যায্য মূল্য পায় না তারা দুখ যে তাঁদের সাথ। ইটের পরে ইট দিয়ে সে গড়ে কত ঘর, মালিকের সাথ হলে দেখা শ্রমিক হয়