দিনের শেষে ভানুর কিরণ
পশ্চিমে আভা লাল,
এই সময়টিই সঠিক সময়
রোজা ভঙ্গের কাল।
ঈষৎ লালের আভা পরেই
যে ক্ষণকাল আসে,
এই সময়েই ইফতার করে
রোজ রোজা মাসে।
এ সময়টায় রোজার খুশি
ইফতার পাশে বসে,
আযান হলে সবার রোজা
ইফতারে যায় খসে।
এই ইফতারে তাড়া আসে
দিতে বিরতি কাজ,
মাগরিব অক্তে নিতে হবে
এ সালাতের তাজ।
রোজার দিনে মুমিনে সুখ
এই ইফতারে থাকে,
তাই মুমিনগণ ক্ষুধা নিয়ে
সকল রোজা রাখে।
সমস্ত দিবস রোজা থেকে
তৃষ্ণায় শুকনো মুখ,
ইফতার সময় হলে আসে
সব রোজাদার সুখ।
ইফতার করেই যায় ভুলে
ক্ষুধা পিপাসা দুঃখ,
পরম প্রশান্তি মনে দোলে
আনন্দে ভাসে বুক।
এ ইফতারে অনেক খাদ্য
সাজিয়ে রাখে পাতে,
ভিন্ন স্বাদের সেই খাবারে
সব রোজাদার মাতে।
অনেক আছে এরা শুধুই
জলে ইফতার সারে,
এমন দৃশ্যও চোখে দেখি
ফুটপাত বস্তি ধারে।
অনেক ইফতারই নষ্ট হয়
প্রায় রোজাদার ঘরে,
খাদ্য ছাড়া এই লোকেরা
রোজা ইফতার করে।