হাজারো মানব চলে গেলেও মনিষীরা বেচেঁ রয়,
মেশকে মাখা আখলাক তাদের কভুও হয়না ক্ষয়!
বলছি আমি বরেণ্য এক সোনার মানুষের কথা,
কলমে-বলনে ইতিহাস যার, চির বীরত্বগাঁথা।
সফরে-হজরে ছিলেন তিনি, সদা’ই স্পষ্টভাষী,
অসি ছিলো তার কলম শুধু,ছিলেন স্বপ্নচাষী।
দেশ-বিদেশে সুনাম কুড়িয়ে পেতেন পুরস্কার,
একদুটো নয় শতাধিক প্রায় পুরস্কার আছে তার।
কবি,কলামিস্ট ছিলেন তিনি,কবিতা হাজারো তার,
লেখায়-ভাষায় ফুটে উঠে তিনি,ছিলেন ভীরু আল্লাহর।
সাংবাদিকতার মুর্ত প্রতীক, জাতি নিয়ে পেরেশান,
কিভাবে লিখলে ফুটবে জাতি,দিলে ছিলো সেই গান।
বিশ্বভ্রমনে প্রশান্তি পেতেন,সৃষ্টি দেখার তরে,
অর্ধশত হাজিরা ও তার ছিল বাইতুল্লাহর দ্বারে।
জন্ম হয় সেই মহাপুরুষের হবিগঞ্জ বানিয়াচংয়ে
মাতৃগ্রাম পরিচিত তার আওয়াল মহল নামে।
ইমাদুদ্দীনের বীর ছেলে উনি,বলছি তাহার নাম,
চির অভিজিৎ নামটি তাহার”শায়খ তাজুল ইসলাম”।
আশি বছরের হায়াত শেষে সাড়া দেন রবের ডাকে,
সাক্বাল্লাহু সারাহু, জাআ’লাল জান্নাতা মাছওয়াকে।
দেহেলা, শাহরস্তি, চাঁদপুর।
সম্পাদক ও প্রকাশক : উমর ফারুক শাবুল।