শনিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২৬ খ্রী: ভ্রমণের কথা।
মরক্কোর স্হাপত্যশিল্পের এক রত্ন হল মারাকেশ শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত জমকালো Bahia Palace বা বাহিয়া রাজপ্রাসাদ, মরক্কোর বহু রাজপ্রাসাদের মধ্যে একটি বিশিষ্ট প্রাসাদ, নির্মান করা হয়েছিল সুলতানের গ্রান্ড উজিরের জন্য। এ বিশাল বিলাশ বহুল প্রাসাদটি নির্মান করা হয় ১৮৫৯ সালে সুলতান সিদি মোহাম্মদ বেন আব্দের রেহমান এর অনুমতিতে। সুলতান মৌলে আব্দুল আজিজের সময়ে প্রাসাদটি আরো বর্ধিত করা হয়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর মরক্কোর উপর প্রতিষ্ঠিত হয় ফ্রান্সের উপনিবেশবাদ। বাহিয়া রাজপ্রাসাদ হয়ে উঠে ফ্রান্সের জেনারেল মার্শাল লোটের বাসস্হান। ১৯৫৬ সালে মরক্কোর স্বাধীনতার পর প্রাসাদটি রাজ পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয় হয়।১৯৯৮ সাল থেকে জৌলুসময় এ বিশাল প্রাসাদটি জনগনের জন্য খুলে দেওয়া হয়। এ স্থিতিস্তম্ভ মরক্কোর ঐতিহাসিক জাতীয় ঐতিহ্য হিসাবে সাংস্কৃতিক মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে আছে।বিশাল এ প্রাসাদে ২ একর জমি আছে, এর মাঝে ৩৭,১০০ বর্গ মিটার জুড়ে নির্মিত হয়েছে প্রাসাদটি।
৫ টায় প্রাসাদটি দর্শকদের জন্য বন্ধ হয়ে যায় বলে মিনারা মল থেকে বের হয়ে সালাদ বারে লাঞ্চ শেষ করে টেক্সি নিয়ে বাহিয়া রাজপ্রাসাদে পৌঁছতে পৌঁছতে ৪টা বেজে গিয়েছিল। টিকেট কাউন্টারে তখনো অনেক ভিড় ছিল। কিছুক্ষণ লাইনে দাড়িয়ে টিকেট নিয়ে তাড়াতাড়ি ঢুকে পড়লাম। পুরাতন হয়ে যাওয়া কিছুটা অংশকে পুন:প্রতিষ্ঠিত করা হচ্ছে। মেহিত হয়ে গেলাম প্রাসাদটি দেখে। অনেকটা অংশ আলহামরা প্রাসাদের মত। আলহামরা তো মোরিশ স্হপতিরাই নির্মান করেছিল। আমরা যখন এ পথ দিয়ে হাঁটছিলাম, নজরে পড়েছিল রন্ধনশিল্প মিউজিয়ামটি। প্রাসাদ থেকে বেরিয়েই হাতের ডান দিকে। আমরা যাচ্ছিলাম ষষ্ট শতাব্দিতে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যাপিট বেন ইউসেফ মাদ্রাসাটি পরিদর্শন করতে, ৭টা পর্যন্ত খোলা আছে। তবে পথ পরিবর্তন হয়ে গেল। ভাবলাম ঢুকেই এক নজর দেখে চলে আসব, তা হলনা। বাহিয়া প্রাসাদের মতই ছোট আকারের আরেকটি স্হাপনা। সেখানে সারা বিকাল কাটিয়ে দিলাম। অনেক ভাল লাগল। তাদের ঐতিহ্যবাহী বার থেকে তাজা ফলের ড্রিংস অনেক ভাল লাগল।
সম্পাদক ও প্রকাশক : উমর ফারুক শাবুল। নির্বাহী সম্পাদক : শায়খ তাজুল ইসলাম। সহকারী সম্পাদক: জাহিদুল ইসলাম,
সহযোগী সম্পাদক : জিন্নুন নাহার খান (নীপা), বার্তা সম্পাদক: আবদুর রউফ আশরাফ।
উপদেষ্টা পরিষদ: প্রফেসর নজরুল ইসলাম হাবিবী, কবি ও সাংবাদিক: আরাজ মিয়া, কবি শাহ কামাল আহমদ,সমাজসেবক: মিছবাহ উজ্জামান খন্দকার, শিক্ষাবিদ: আব্দুল হালিম।
অফিস : ৪৫, রাজনগর আ / এ গোরস্থান রোড, হবিগঞ্জ সদর,হবিগঞ্জ। সম্পাদক ও প্রকাশক : মোবাইল: ০১৭২৭-২৪১৩১০