আবেগ আর বিবেক দুইটি এক জিনিস নয়। আবেগটা হলো আমার দেশের প্রতি আর বিবেকহ চ্ছে আমার কর্মের প্রতি। আবেগ দিয়ে দেশের কল্যাণে কাজ করি এবং বিবেক দিয়ে কর্ম সম্প্রদান করি। স্বদেশের ভাল মন্দ খবরাখবর প্রতিদিন জানার চেষ্টা করি। ভালো খবর শুনলে মন খুশি হয় আর খারাপ খবর শুনলে মনে কষ্ট লাগে। আমরা পরিশ্রম করি শুধু আমাদের পরিবারের জন্য নয়, দেশের প্রতি ভালবাসা রেখেই আমরা পরিবারের জন্য কাজ করি। আমাদের দেশে যদি উন্নতি থাকতো তাহলে আমার প্রবাসে যাওয়ার কোনো প্রশ্নই থাকতো না। দেশকে উন্নত করার জন্যই প্রবাসে গিয়ে কাজ করি। একজন প্রবাসী নারী হউক আর সে পুরুষই হউক, অর্থাৎ যে কোনো বয়সের মানুষই হউক দিন শেষে একজন প্রবাসী সেও মানুষ। প্রবাসীরা যতই কষ্টের কাজ করেনা কেন কাজ শেষে তাদের আর কোনো কষ্ট থাকেনা মনে। সমাজ, পরিবার ও দেশের জন্য কিছু করতে পারাটাই ওই কষ্ট তারা ভুলেযায়। এই দেশ আমার এই মাটি আমার। আমরা কখনোও দেশের ধ্বংশ হউক তা চাইনা। শান্তির নীড়ে স্বদেশের মানুষ এক সাথে বসবাস করুক এটাই আমাদের প্রত্যাশা। কথা গুলো বলেছেন, আন্তর্জাতিক পদকপ্রাপ্ত খ্যাতিমান কবি, একাধিক সাহিত্য সংগঠনের প্রাণ পুরুষ, গল্পকার, উপন্যাসিক, বাংলা সাহিত্য পরিষদ ইউ'কের প্রতিষ্ঠাতা কবি শাহ কামাল আহমদ ২০ সেপ্টম্বর শনিবার সকালে ' সাপ্তাহিক আমাদের সিলেট ও 'টেংরা বার্তার' সাথে একান্তু এক সাক্ষাৎকারে আন্তুরিক এক পরিবেশে এমনি এক প্রশ্নের জবাবে উপরোক্ত কথা গুলো তিনি ব্যক্ত করেন। তিনি এক সপ্তাহের এক সংক্ষিপ্ত সফরে স্বদেশের মাটি ও মানুষকে এক নজর দেখা উপলক্ষ্য জন্মভূমিতে অবস্হানে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে মিলনে ব্যস্ততম দিন অতিবাহিত করে ২৩ সেপ্টম্বর মঙ্গলবার স্বদেশ ছেড়ে আবারও যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমাবেন। একান্ত সাক্ষাৎকারটি অনুষ্ঠিত হয় বিশ্বনাথের, বিশ্বনাথ ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী ধর্মদা পীর বাড়ী কবি শাহ কামাল আহমদের নিজস্ব বাস ভবনে। সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ করেন বিশ্বনাথ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ শাহিন উদ্দিন। কবি শাহ কামালের কাছে একাধিক প্রশ্ন উত্তাপনে উত্তরে কবি কামাল আহমদ বলেন - দিন শেষে আমি বাংঙ্গালী। নাড়ীর টানে, ভালবাসার টানে, আবেগের টানে, অনুভূতির টানে, দেশ প্রেমের টানে এই বিষয় গুলোই আমাকে বাংলা সাহিত্য চর্চায় আমাকে উদ্বুদ্ধ রাখে এবং এটা আমার নেশাতে পরিণত হয়েছে। কবি শাহ কামাল আহমদ ১৯৭৩ সালে বিশ্বনাথের, বিশ্বনাথ ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী ধর্মদা পীর বাড়ীতে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মৃত শাহ মশরফ আলী ও মাতা শাহ আয়শা বেগম। তিন ভাই ও তিন বোন। তিনি ১৯৯৩ সালে রোজীর লক্ষ্যে সৌদিআরব গমণ করেন। ২০০৩ সালে সৌদিআরব থেকে স্বদেশে এসে স্হায়ী ভাবে যুক্তরাজ্যে পাড়িজমান।
স্কুল জীবন থেকেই কবিতা লেখার মাধ্যমে সাহিত্য জগতে প্রবেশ। সে সময়ই প্রকাশিত হয়েছিল সিলেটের একাধিক স্হানীয় পত্রিকায় তাঁর কবিতা। সেই ধ্যানে মগ্ন আজ অবধি সুদূর প্রবাস জীবনেও। জীবনের কোনো বাধাই থাকে দাবিয়ে রাখতে পারেনা সাহিত্য চর্চা থেকে। সাহিত্য রচনার পাশাপাশি সাহিত্য সংগঠন প্রতিষ্ঠা ও নেতৃত্বদানে একাধিক সংগঠনে অগ্রবর্তী আসনে তিনি। তিনি জালালাবাদ কবি ফোরামের কেন্দ্রীয় পর্ষদের উপদেষ্টা নির্বাচিত হন, আমাদের গল্পকথা সংগঠনের কেন্দ্রীয় পরিচালক, যুক্তরাজ্যে প্রতিষ্ঠা করেন, বাংলা সাহিত্য পরিষদ ইউ'কে।
কবি শাহ কামালের প্রকাশিত গ্রন্হ হচ্ছে, কে তুমি ( কবিতা) ( ২০০৩) ঢাকা বই মেলায় প্রকাশিত, প্রজাপতি মন আমার ( কবিতা) ( ২০১৫) অভিমানী ছেলে ( কবিতা) ( ২০১৭) মেঘ বালিকা ( কবিতা) ( ২০০১) শেষ বিকেলের মেয়ে ( গল্প) ( ২০১৯) নিরামিষ ভালোবাসা ( উপন্যাস) (২০১৯) এছাড়া তাঁর আরো একাধিক গ্রন্হ প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে। কবি শাহ কামাল আহমদ দেশের একাধিক সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠান থেকে সম্মাননা ক্রেষ্ট প্রাপ্তি হন । তা হচ্ছে, বাংলাদেশ কবি সভা সম্মাননা ( ২০১৬) জালালাবাদ কবি ফোরাম সম্মাননা ( ২০১৬) জাকফো পদক ( ২০১৭) জাগরণ উচ্চ বিদ্যালয় মহান স্বাধীনতা দিবস সম্মাননা( ২০১৭) আমাদের গল্পকথা সম্মাননা ( ২০১৮) এডুকেশন ফর সার্ভিস ( ২০২১) সিলেট লেখক ফোরাম সম্মাননা ( ২০১৯) । আন্তজাতিক আল্লামা ইকবাল সাহিত্য সম্মাননা ২০২৪।
লেখক : মো: শাহীন উদ্দিন, সভাপতি বিশ্বনাথ উপজেলা প্রেসক্লাব।
সম্পাদক ও প্রকাশক : উমর ফারুক শাবুল। নির্বাহী সম্পাদক : শায়খ তাজুল ইসলাম। সহকারী সম্পাদক: জাহিদুল ইসলাম,
সহযোগী সম্পাদক : জিন্নুন নাহার খান (নীপা), বার্তা সম্পাদক: আবদুর রউফ আশরাফ।
উপদেষ্টা পরিষদ: প্রফেসর নজরুল ইসলাম হাবিবী, কবি ও সাংবাদিক: আরাজ মিয়া, কবি শাহ কামাল আহমদ,সমাজসেবক: মিছবাহ উজ্জামান খন্দকার, শিক্ষাবিদ: আব্দুল হালিম।
অফিস : ৪৫, রাজনগর আ / এ গোরস্থান রোড, হবিগঞ্জ সদর,হবিগঞ্জ। সম্পাদক ও প্রকাশক : মোবাইল: ০১৭২৭-২৪১৩১০